খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় তীব্র জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধভাবে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এ সময় দুই উপজাতি ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
গত রবিবার (২১ মার্চ) রাতে বাবুছড়া নতুন বাজার এলাকায় বাবুছড়া ক্যাম্পের কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মোজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে একটি দোকানে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন জিনিয়ন চাকমা ও গীতি রতন চাকমা।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সংকটকে পুঁজি করে তেল মজুদ ও অধিক দামে বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরবর্তীতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকার অঙ্গীকার করে মুচলেখা দিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীঘিনালায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এতে পরিবহন, কৃষিকাজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুদ ও কালোবাজারি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেল মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালা উপজেলায় তীব্র জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধভাবে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এ সময় দুই উপজাতি ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
গত রবিবার (২১ মার্চ) রাতে বাবুছড়া নতুন বাজার এলাকায় বাবুছড়া ক্যাম্পের কমান্ডার সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মোজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে একটি দোকানে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন জিনিয়ন চাকমা ও গীতি রতন চাকমা।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সংকটকে পুঁজি করে তেল মজুদ ও অধিক দামে বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেন।
পরবর্তীতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকার অঙ্গীকার করে মুচলেখা দিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, দীঘিনালায় দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এতে পরিবহন, কৃষিকাজ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর মজুদ ও কালোবাজারি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেল মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন