আজ ৪ মে, সোমবার। পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসের এক শোকাবহ দিন। আজকের এই দিনে শান্তিবাহিনীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন লংগদু উপজেলার তৎকালীন জনপ্রিয় প্রথম চেয়ারম্যান ও গণমানুষের নেতা আব্দুর রশিদ সরকার। তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে তাঁকে স্মরণ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)।
ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ শহীদ রশিদ সরকারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পিসিসিপি লংগদু উপজেলা শাখা এক চমৎকার ও মানবিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। দোয়া মাহফিল আয়োজনের পূর্বেই সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা শহীদ রশিদ সরকারের কবরস্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। নেতাকর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত শ্রম এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে বিকেলে শহীদ আব্দুর রশিদ সরকারের কবরের সামনে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি লংগদু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ রেজা, স্থানীয় মুরব্বি এবিএস মামুন, ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও পিসিসিপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দের দাবি: বিচার ও নিরাপত্তা;
দোয়া মাহফিল শেষে পিসিসিপি নেতৃবৃন্দ এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শহীদ আব্দুল রশিদ সরকারের স্মৃতি চারণ করেন। তারা বলেন,
"আব্দুর রশিদ সরকার ছিলেন পাহাড়ের শান্তির দূত। তাঁকে হত্যার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নের গতিকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি।
শহীদ আব্দুর রশিদ সরকারের আত্মত্যাগ লংগদুবাসীর হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। পিসিসিপি’র আজকের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও দোয়া মাহফিল সেই শ্রদ্ধাবোধেরই এক বহিঃপ্রকাশ। এই বীর নেতার আদর্শকে ধারণ করেই আগামীর সুন্দর ও শান্ত পাহাড় গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
আজ ৪ মে, সোমবার। পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাসের এক শোকাবহ দিন। আজকের এই দিনে শান্তিবাহিনীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন লংগদু উপজেলার তৎকালীন জনপ্রিয় প্রথম চেয়ারম্যান ও গণমানুষের নেতা আব্দুর রশিদ সরকার। তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে তাঁকে স্মরণ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)।
ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদ্যোগ শহীদ রশিদ সরকারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পিসিসিপি লংগদু উপজেলা শাখা এক চমৎকার ও মানবিক কর্মসূচি গ্রহণ করে। দোয়া মাহফিল আয়োজনের পূর্বেই সংগঠনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা শহীদ রশিদ সরকারের কবরস্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। নেতাকর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত শ্রম এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে বিকেলে শহীদ আব্দুর রশিদ সরকারের কবরের সামনে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এ সময় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি লংগদু উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ রেজা, স্থানীয় মুরব্বি এবিএস মামুন, ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও পিসিসিপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দের দাবি: বিচার ও নিরাপত্তা;
দোয়া মাহফিল শেষে পিসিসিপি নেতৃবৃন্দ এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শহীদ আব্দুল রশিদ সরকারের স্মৃতি চারণ করেন। তারা বলেন,
"আব্দুর রশিদ সরকার ছিলেন পাহাড়ের শান্তির দূত। তাঁকে হত্যার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলের উন্নয়নের গতিকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি করা এখন সময়ের দাবি।
শহীদ আব্দুর রশিদ সরকারের আত্মত্যাগ লংগদুবাসীর হৃদয়ে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে। পিসিসিপি’র আজকের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও দোয়া মাহফিল সেই শ্রদ্ধাবোধেরই এক বহিঃপ্রকাশ। এই বীর নেতার আদর্শকে ধারণ করেই আগামীর সুন্দর ও শান্ত পাহাড় গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।

আপনার মতামত লিখুন