শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মো: হাবীব আজমের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা।



রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মো: হাবীব আজমের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা।

দীর্ঘ ১ বছর ৯ মাস ৯ দিন মোট ৬৪৯ দিন সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। তাঁর বিদায়কে ঘিরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি, স্লোগান ও ভালোবাসায় তাঁকে বিদায় জানান সর্বস্তরের মানুষ। 

২৩ আগস্ট (রবিবার) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাবীব আজমকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, ক্রীড়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র-যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সম্মেলন কক্ষ থেকে বের হয়ে জেলা পরিষদ চত্বরে আসতেই সেখানে অপেক্ষমাণ শত শত ছাত্র-যুবক, নারী, বয়োজ্যেষ্ঠ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ করতালি ও স্লোগানের মাধ্যমে হাবীব আজমকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত করেন। এ সময় শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন। পরে এক আবেগঘন ও প্রীতিপূর্ণ শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাঁকে সশ্রদ্ধভাবে নিজ বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সংবর্ধনায় উপস্থিত শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হওয়ার অনেক আগে থেকেই দীর্ঘ এক যুগ ধরে রাঙ্গামাটির সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন হাবীব আজম। পদ-পদবির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর অন্যতম পরিচয়।

পাহাড়ধস, অগ্নিকাণ্ড, বন্যা কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গম এলাকা পর্যন্ত ছুটে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে তাঁর। দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অনেক সময় রাতদিন পরিশ্রম করে তিনি খাদ্যসামগ্রী, জরুরি ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানান উপস্থিত শুভাকাঙ্ক্ষীরা। 

তাঁরা আরও বলেন, অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ, মুমূর্ষু ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ এবং স্থানীয় পাঠাগারগুলোতে বই বিতরণের মতো নানা উদ্যোগের মাধ্যমে হাবীব আজম মানুষের কাছে আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি-বাঙালি অধ্যুষিত বহুমাত্রিক সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বজায় রাখতেও হাবীব আজম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে মত দেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। 

তাঁদের ভাষ্য, মানুষের পরিচয়ের আগে মানুষ এই মানবিক চিন্তাকে সামনে রেখে তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

মো: হাবীব আজমের বিদায় সংবর্ধনায় আম জনতা দল রাঙ্গামাটি জেলা শাখা, সিএইচটি ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন, হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠন কাঁঠালতলী, হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠন স্বর্ণটিলা, গ্রিন হিলস্ স্পোর্টিং ক্লাব, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্পোর্টিং ক্লাব, হিল সার্ভিস সংগঠন, পার্বত্য ছাত্র সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, ক্রীড়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ বলেন, হাবীব আজমের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কেবল একটি প্রশাসনিক পদ বা দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একটি আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাঁর বিদায়ে তাই অনেকের চোখে ছিল আবেগ, আবার ভবিষ্যৎ জনসেবার প্রত্যাশায় ছিল নতুন আশার সঞ্চার।

শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, প্রশাসনিক পদ-পদবির মেয়াদ শেষ হতে পারে, কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা ও দায়বদ্ধতার কোনো মেয়াদ নেই। হাবীব আজমের দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ড রাঙ্গামাটির পাহাড়, হ্রদ ও মানুষের হৃদয়ে স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাঁদের মতে, হাবীব আজমের বিদায় কেবল একটি দায়িত্বের সমাপ্তি নয়; বরং জনকল্যাণের এক মানবিক অধ্যায়ের নতুন পর্বে প্রবেশ। আগামী দিনেও তিনি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবেন এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত জনতা।

এ সময় উপস্থিত ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে হাবীব আজমকে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে জনসেবায় দেখতে চাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। তাঁরা বলেন, জনগণের কল্যাণে হাবীব আজম ভবিষ্যতে রাঙ্গামাটি পৌরসভা নির্বাচনে অথবা প্রয়োজন হলে ২৯৯ নং রাঙ্গামাটি আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের সেবা করতে পারেন।

সবশেষে ফুলেল শুভেচ্ছা, ভালোবাসা, করতালি ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে হাবীব আজমকে বিদায় জানানো হয়। বিদায়ের মুহূর্তে উপস্থিত মানুষের ভালোবাসা ও আবেগঘন পরিবেশ যেন স্পষ্ট করে দেয় একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শেষ হলেও মানুষের ভালোবাসায় তাঁর পথচলা থেমে থাকে না।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য মো: হাবীব আজমের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা।

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ ১ বছর ৯ মাস ৯ দিন মোট ৬৪৯ দিন সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। তাঁর বিদায়কে ঘিরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি, স্লোগান ও ভালোবাসায় তাঁকে বিদায় জানান সর্বস্তরের মানুষ। 

২৩ আগস্ট (রবিবার) সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাবীব আজমকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, ক্রীড়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র-যুবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। 

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সম্মেলন কক্ষ থেকে বের হয়ে জেলা পরিষদ চত্বরে আসতেই সেখানে অপেক্ষমাণ শত শত ছাত্র-যুবক, নারী, বয়োজ্যেষ্ঠ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ করতালি ও স্লোগানের মাধ্যমে হাবীব আজমকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত করেন। এ সময় শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন। পরে এক আবেগঘন ও প্রীতিপূর্ণ শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাঁকে সশ্রদ্ধভাবে নিজ বাসভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সংবর্ধনায় উপস্থিত শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, জেলা পরিষদের সদস্য হওয়ার অনেক আগে থেকেই দীর্ঘ এক যুগ ধরে রাঙ্গামাটির সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন হাবীব আজম। পদ-পদবির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ছিল তাঁর অন্যতম পরিচয়।

পাহাড়ধস, অগ্নিকাণ্ড, বন্যা কিংবা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গম এলাকা পর্যন্ত ছুটে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে তাঁর। দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অনেক সময় রাতদিন পরিশ্রম করে তিনি খাদ্যসামগ্রী, জরুরি ত্রাণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানান উপস্থিত শুভাকাঙ্ক্ষীরা। 

তাঁরা আরও বলেন, অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ, মুমূর্ষু ও অসহায় মানুষের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ এবং স্থানীয় পাঠাগারগুলোতে বই বিতরণের মতো নানা উদ্যোগের মাধ্যমে হাবীব আজম মানুষের কাছে আলাদা একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন।

রাঙ্গামাটির পাহাড়ি-বাঙালি অধ্যুষিত বহুমাত্রিক সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বজায় রাখতেও হাবীব আজম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে মত দেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ। 

তাঁদের ভাষ্য, মানুষের পরিচয়ের আগে মানুষ এই মানবিক চিন্তাকে সামনে রেখে তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

মো: হাবীব আজমের বিদায় সংবর্ধনায় আম জনতা দল রাঙ্গামাটি জেলা শাখা, সিএইচটি ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন, হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠন কাঁঠালতলী, হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠন স্বর্ণটিলা, গ্রিন হিলস্ স্পোর্টিং ক্লাব, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ স্পোর্টিং ক্লাব, হিল সার্ভিস সংগঠন, পার্বত্য ছাত্র সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক, ক্রীড়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ বলেন, হাবীব আজমের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক কেবল একটি প্রশাসনিক পদ বা দায়িত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একটি আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাঁর বিদায়ে তাই অনেকের চোখে ছিল আবেগ, আবার ভবিষ্যৎ জনসেবার প্রত্যাশায় ছিল নতুন আশার সঞ্চার।

শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, প্রশাসনিক পদ-পদবির মেয়াদ শেষ হতে পারে, কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা ও দায়বদ্ধতার কোনো মেয়াদ নেই। হাবীব আজমের দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ড রাঙ্গামাটির পাহাড়, হ্রদ ও মানুষের হৃদয়ে স্মৃতি হয়ে থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাঁদের মতে, হাবীব আজমের বিদায় কেবল একটি দায়িত্বের সমাপ্তি নয়; বরং জনকল্যাণের এক মানবিক অধ্যায়ের নতুন পর্বে প্রবেশ। আগামী দিনেও তিনি সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবেন এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেন উপস্থিত জনতা।

এ সময় উপস্থিত ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে হাবীব আজমকে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে জনসেবায় দেখতে চাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। তাঁরা বলেন, জনগণের কল্যাণে হাবীব আজম ভবিষ্যতে রাঙ্গামাটি পৌরসভা নির্বাচনে অথবা প্রয়োজন হলে ২৯৯ নং রাঙ্গামাটি আসনে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের মাধ্যমে বৃহত্তর পরিসরে মানুষের সেবা করতে পারেন।

সবশেষে ফুলেল শুভেচ্ছা, ভালোবাসা, করতালি ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে হাবীব আজমকে বিদায় জানানো হয়। বিদায়ের মুহূর্তে উপস্থিত মানুষের ভালোবাসা ও আবেগঘন পরিবেশ যেন স্পষ্ট করে দেয় একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শেষ হলেও মানুষের ভালোবাসায় তাঁর পথচলা থেমে থাকে না।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : এইচ এ আব্দুর রউফ, উপদেষ্টা : কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত