শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
০৬ জুন, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

মেঘ-পাহাড়ের টানে বান্দরবানে পর্যটকের ঢল, জমজমাট ঈদের ছুটি।



মেঘ-পাহাড়ের টানে বান্দরবানে পর্যটকের ঢল, জমজমাট ঈদের ছুটি।

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। অনুকূল আবহাওয়া, দীর্ঘ ছুটি এবং পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন বান্দরবানে।

ঈদের দিন থেকেই জেলার জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। বিশেষ করে মেঘলা, নীলাচল, স্বর্ণমন্দির, শৈলপ্রপাত এবং নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাহাড়, মেঘ আর সবুজ প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এসব স্থানে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামে।

পর্যটকদের আগমনে জেলার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট এবং স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিন পর পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আগমনে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন খাত এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষের আয় বেড়েছে।

অন্যদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটগুলোতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনাও প্রদান করা হচ্ছে।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা অনেক পর্যটক জানান, পাহাড়ের নির্মল পরিবেশ ও মনোরম আবহে ঈদের ছুটি কাটাতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেন এক অনন্য প্রশান্তির অনুভূতি এনে দিয়েছে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে পর্যটক আকর্ষণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে জেলা প্রশাসন পরিচালিত সকল পর্যটন কেন্দ্রে দুই দিনের জন্য প্রবেশ টিকিট সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ পর্যটকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং জেলার পর্যটন শিল্পে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬


মেঘ-পাহাড়ের টানে বান্দরবানে পর্যটকের ঢল, জমজমাট ঈদের ছুটি।

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। অনুকূল আবহাওয়া, দীর্ঘ ছুটি এবং পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন বান্দরবানে।

ঈদের দিন থেকেই জেলার জনপ্রিয় পর্যটন স্পটগুলোতে বাড়তে শুরু করে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। বিশেষ করে মেঘলা, নীলাচল, স্বর্ণমন্দির, শৈলপ্রপাত এবং নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পাহাড়, মেঘ আর সবুজ প্রকৃতির অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এসব স্থানে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামে।

পর্যটকদের আগমনে জেলার হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট এবং স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। দীর্ঘদিন পর পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আগমনে জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, পরিবহন খাত এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষের আয় বেড়েছে।

অন্যদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটগুলোতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন নির্দেশনাও প্রদান করা হচ্ছে।

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা অনেক পর্যটক জানান, পাহাড়ের নির্মল পরিবেশ ও মনোরম আবহে ঈদের ছুটি কাটাতে পেরে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করতে বান্দরবানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেন এক অনন্য প্রশান্তির অনুভূতি এনে দিয়েছে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে পর্যটক আকর্ষণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে জেলা প্রশাসন পরিচালিত সকল পর্যটন কেন্দ্রে দুই দিনের জন্য প্রবেশ টিকিট সম্পূর্ণ ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ পর্যটকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং জেলার পর্যটন শিল্পে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : উপদেষ্টা :কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত