খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্থায়ী ঘাঁটি শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন মহালছড়ি উপজেলার পঙ্খীমুড়া এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২ জুন) মাইসছড়ি কমলাবাগান এলাকায় আরও একটি অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (মূল)-এর সরঞ্জাম মজুদের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান পাওয়া না গেলেও তাদের ব্যবহৃত একটি অস্থায়ী ঘাঁটির সন্ধান মেলে।
অভিযান চলাকালে সেনাবাহিনী ঘাঁটি ও এর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি পরিচালনা করে। এ সময় অস্ত্র সংরক্ষণের বাঙ্কার, ডিউটি পোস্ট, বিশ্রামাগার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন স্থাপনা শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ঘাঁটির অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে এলাকাটির নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম ওই এলাকায় সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থান এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সাম্প্রতিক সেনা অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অনেকটাই কমে গেছে। এখন মানুষ আগের তুলনায় নিরাপদ বোধ করছে।” সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাহাড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে কমলাবাগান ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ে সশস্ত্র তৎপরতা ও চাঁদাবাজি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্থায়ী ঘাঁটি শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন মহালছড়ি উপজেলার পঙ্খীমুড়া এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২ জুন) মাইসছড়ি কমলাবাগান এলাকায় আরও একটি অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। অভিযানে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (মূল)-এর সরঞ্জাম মজুদের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান পাওয়া না গেলেও তাদের ব্যবহৃত একটি অস্থায়ী ঘাঁটির সন্ধান মেলে।
অভিযান চলাকালে সেনাবাহিনী ঘাঁটি ও এর আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি পরিচালনা করে। এ সময় অস্ত্র সংরক্ষণের বাঙ্কার, ডিউটি পোস্ট, বিশ্রামাগার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন স্থাপনা শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ঘাঁটির অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে এলাকাটির নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম ওই এলাকায় সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থান এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। সাম্প্রতিক সেনা অভিযানের ফলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে তারা মনে করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অনেকটাই কমে গেছে। এখন মানুষ আগের তুলনায় নিরাপদ বোধ করছে।” সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পাহাড়ে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে কমলাবাগান ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ে সশস্ত্র তৎপরতা ও চাঁদাবাজি আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন