ঈদুল আযহার আনন্দ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমধর্মী মানবিক আয়োজন “ত্যাগের হাসি – পর্ব ১” অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্যোগটি আয়োজন করে Volunteer for Bangladesh (VBD) রাঙ্গামাটি জেলা।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৩০ জন মাদ্রাসা ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী এবং ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন খেলাধুলা, বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং আন্তরিক মিলনমেলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ঈদের আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করা হয়।
আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও স্বেচ্ছাসেবার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করা।
তারা আরও বলেন, “ত্যাগের হাসি” শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য বার্তা। ভবিষ্যতেও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিশুদের উচ্ছ্বাস ও হাসিমুখ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং মানবিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
ঈদুল আযহার আনন্দ সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ব্যতিক্রমধর্মী মানবিক আয়োজন “ত্যাগের হাসি – পর্ব ১” অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্যোগটি আয়োজন করে Volunteer for Bangladesh (VBD) রাঙ্গামাটি জেলা।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ৩০ জন মাদ্রাসা ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী এবং ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন খেলাধুলা, বিনোদনমূলক কার্যক্রম এবং আন্তরিক মিলনমেলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ঈদের আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করা হয়।
আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করা এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ ও স্বেচ্ছাসেবার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করা।
তারা আরও বলেন, “ত্যাগের হাসি” শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়; এটি ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য বার্তা। ভবিষ্যতেও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিশুদের উচ্ছ্বাস ও হাসিমুখ আয়োজনটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং মানবিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন