বান্দরবান সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে জ্ঞান হারিয়েছেন আরেক শ্রমিক। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলায় এ দুর্ঘটনা হয়।
নিহত দুই শ্রমিক হলেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মোহাম্মদ আলী মাতব্বরের ছেলে মোহাম্মদ কামরুল হাসান (৩৫) ও উত্তর চরমঙ্গল এলাকার হজরত আলীর ছেলে মো. সাকিব (২২)। আর জ্ঞান হারানো শ্রমিকের নাম মঈন উদ্দিন। তাঁকে হাসপাতালটিতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের পাশে নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলায় দুই শ্রমিকের মরদেহ পড়ে আছে। বিদ্যুতের তাপে তাঁদের শরীর ঝলসে গেছে। ভবনজুড়ে পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নিচে অনেকেই জড়ো হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক মোহাম্মদ সালামত উল্লাহ ও মো. তুহীন জানান, কামরুল ও সাকিব মাচার ওপর দাঁড়িয়ে ভবনের নিচের ছাদে পলেস্তারার কাজ করছিলেন। এ সময় অ্যালুমিনিয়ামের একটি পাত্রে পলেস্তারার উপকরণ ওপরে তোলা হচ্ছিল। একপর্যায়ে পাত্রটি বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে দুজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। পরে বিদ্যুতায়িত পাত্রটিও তাঁদের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।
বান্দরবানের সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, দুই শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। তাঁদের মৃত্যুর ঘটনাটি কাছ থেকে দেখে সহকর্মী মঈন উদ্দিন সংজ্ঞা হারান। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সুমিত রায় বলেন, শ্রমিকদের অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মান্না দে বলেন, নিহত দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাজের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কি না এবং কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
বান্দরবান সদর হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে জ্ঞান হারিয়েছেন আরেক শ্রমিক। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে হাসপাতাল চত্বরে নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলায় এ দুর্ঘটনা হয়।
নিহত দুই শ্রমিক হলেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মোহাম্মদ আলী মাতব্বরের ছেলে মোহাম্মদ কামরুল হাসান (৩৫) ও উত্তর চরমঙ্গল এলাকার হজরত আলীর ছেলে মো. সাকিব (২২)। আর জ্ঞান হারানো শ্রমিকের নাম মঈন উদ্দিন। তাঁকে হাসপাতালটিতেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের পাশে নির্মাণাধীন ভবনের তৃতীয় তলায় দুই শ্রমিকের মরদেহ পড়ে আছে। বিদ্যুতের তাপে তাঁদের শরীর ঝলসে গেছে। ভবনজুড়ে পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নিচে অনেকেই জড়ো হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিক মোহাম্মদ সালামত উল্লাহ ও মো. তুহীন জানান, কামরুল ও সাকিব মাচার ওপর দাঁড়িয়ে ভবনের নিচের ছাদে পলেস্তারার কাজ করছিলেন। এ সময় অ্যালুমিনিয়ামের একটি পাত্রে পলেস্তারার উপকরণ ওপরে তোলা হচ্ছিল। একপর্যায়ে পাত্রটি বিদ্যুতের লাইনের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এতে দুজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যান। পরে বিদ্যুতায়িত পাত্রটিও তাঁদের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।
বান্দরবানের সিভিল সার্জন শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, দুই শ্রমিক ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। তাঁদের মৃত্যুর ঘটনাটি কাছ থেকে দেখে সহকর্মী মঈন উদ্দিন সংজ্ঞা হারান। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী সুমিত রায় বলেন, শ্রমিকদের অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মান্না দে বলেন, নিহত দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাজের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল কি না এবং কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে।

আপনার মতামত লিখুন