সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুহাস চাকমা, যিনি নিজেকে মানবাধিকার কর্মী দাবি করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা ইস্যু নিয়ে মনগড়া বয়ান ছেড়ে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন।
সম্প্রতি সুহাস চাকমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তার প্রচারিত বক্তব্য, ছবি ও তথাকথিত নথিতে এমন কিছু দাবি রয়েছে, যেগুলোর কোনো অফিসিয়ালি ডকুমেন্টস বা সত্যতা নেই। ফলে সুহাস চাকমার এসব পরিকল্পিত অপপ্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
সংশ্লিষ্ট এবং সকল স্থরের সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করতে হলে তা অবশ্যই নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও যথাযথ সূত্রের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন তথ্য, সম্পাদিত ছবি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি, এমন কনটেন্ট ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্ত ছড়ানো দায়িত্বশীল আচরণ নয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি স্পর্শ কাতর অঞ্চল। তাই এখানে শান্তি, সম্প্রীতি ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই স্বাধীনতার সঙ্গে সত্যতা, জবাবদিহি ও নৈতিকতারও সমান গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত বয়ান ছড়িয়ে নয়।
বিশিষ্ট সুশীল সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দরা মনে করেন, সুহাস চাকমাসহ যেই বিভ্রান্তিকর বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার করুন না কেন, তার নিন্দা হওয়া উচিত এবং সত্যনির্ভর তথ্য প্রচারই সবার অঙ্গীকার হওয়া প্রয়োজন।
লেখক: পার্বত্য চট্টগ্রাম।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুহাস চাকমা, যিনি নিজেকে মানবাধিকার কর্মী দাবি করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে নানা ইস্যু নিয়ে মনগড়া বয়ান ছেড়ে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন।
সম্প্রতি সুহাস চাকমার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তার প্রচারিত বক্তব্য, ছবি ও তথাকথিত নথিতে এমন কিছু দাবি রয়েছে, যেগুলোর কোনো অফিসিয়ালি ডকুমেন্টস বা সত্যতা নেই। ফলে সুহাস চাকমার এসব পরিকল্পিত অপপ্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
সংশ্লিষ্ট এবং সকল স্থরের সচেতন নাগরিকদের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করতে হলে তা অবশ্যই নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও যথাযথ সূত্রের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন তথ্য, সম্পাদিত ছবি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি, এমন কনটেন্ট ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্ত ছড়ানো দায়িত্বশীল আচরণ নয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি স্পর্শ কাতর অঞ্চল। তাই এখানে শান্তি, সম্প্রীতি ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই স্বাধীনতার সঙ্গে সত্যতা, জবাবদিহি ও নৈতিকতারও সমান গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথিত বয়ান ছড়িয়ে নয়।
বিশিষ্ট সুশীল সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দরা মনে করেন, সুহাস চাকমাসহ যেই বিভ্রান্তিকর বা যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার করুন না কেন, তার নিন্দা হওয়া উচিত এবং সত্যনির্ভর তথ্য প্রচারই সবার অঙ্গীকার হওয়া প্রয়োজন।
লেখক: পার্বত্য চট্টগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন