খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়িতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠেছে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সম্প্রীতি ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মহালছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় মানিকছড়ি মুসলিম পাড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মুড়াপাড়া একতা সংঘ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আসিফ আল জাবির।
এবারের টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে মহালছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক, খেলোয়াড় ও বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
আয়োজকরা জানান, খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করাই এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজন ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়িতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠেছে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সম্প্রীতি ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মহালছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় মানিকছড়ি মুসলিম পাড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মুড়াপাড়া একতা সংঘ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আসিফ আল জাবির।
এবারের টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে মহালছড়ি মিনি স্টেডিয়ামে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক, খেলোয়াড় ও বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
আয়োজকরা জানান, খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করাই এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজন ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

আপনার মতামত লিখুন