মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
২৮ জুলাই, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান তিন দিনের সফরে আসছে বাংলাদেশ।



পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান তিন দিনের সফরে আসছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফর শেষ করার পরপরই তিন দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।

এই সফরটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সফরের মূল লক্ষ্য ও সম্ভাব্য ফলাফলগুলো সম্পর্কে বলতে গেলে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির রূপরেখা নিয়ে সফর চলাকালীন ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, আঞ্চলিক সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রধান্য পাবে। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।

এই সফরের অন্যতম বড় চমক হতে যাচ্ছে একটি ব্যাপকভিত্তিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় থাকতে পারে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে (BOF) আধুনিকীকরণে সরাসরি সহায়তা করবে। বাংলাদেশেই আধুনিক ও শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা অর্জনে কাজ করবে দুই দেশ। এই সহযোগিতার অধীনে বাংলাদেশে অত্যাধুনিক ড্রোন এবং মিসাইল তৈরির প্রযুক্তিগত সহায়তা ও উৎপাদনের পথ প্রশস্ত হবে।

এই সফরটি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক সুযোগ তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান তিন দিনের সফরে আসছে বাংলাদেশ।

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফর শেষ করার পরপরই তিন দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির।

এই সফরটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সফরের মূল লক্ষ্য ও সম্ভাব্য ফলাফলগুলো সম্পর্কে বলতে গেলে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির রূপরেখা নিয়ে সফর চলাকালীন ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বাণিজ্য, আঞ্চলিক সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রধান্য পাবে। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।

এই সফরের অন্যতম বড় চমক হতে যাচ্ছে একটি ব্যাপকভিত্তিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় থাকতে পারে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিকে (BOF) আধুনিকীকরণে সরাসরি সহায়তা করবে। বাংলাদেশেই আধুনিক ও শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা অর্জনে কাজ করবে দুই দেশ। এই সহযোগিতার অধীনে বাংলাদেশে অত্যাধুনিক ড্রোন এবং মিসাইল তৈরির প্রযুক্তিগত সহায়তা ও উৎপাদনের পথ প্রশস্ত হবে।

এই সফরটি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য নতুন এক সুযোগ তৈরি করতে পারে।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : এইচ এ আব্দুর রউফ, উপদেষ্টা : কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত