পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জোনের উদ্যোগে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাঙ্গামাটি সদর জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
রাঙ্গামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও উদ্যোগে এবং রাঙ্গামাটি সদর জোনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি। তাঁর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাঙ্গামাটি সেনানিবাস এলাকা এবং এর আশপাশের সড়কসমূহে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করেন।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা শুধু বর্জ্য সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং স্থানীয় জনগণের মাঝে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তাও প্রচার করেন। তারা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য বর্তমানে পরিবেশ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। পাহাড়, জলাশয় ও সড়কের পাশে অবাধে ফেলে রাখা প্লাস্টিক দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন ও রাঙ্গামাটি জোন নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ রক্ষামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সেনানিবাস ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশগত সৌন্দর্য সংরক্ষণ, দূষণ হ্রাস এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাঙ্গামাটি জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিকে আরও পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙ্গামাটি জোনের উদ্যোগে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাঙ্গামাটি সদর জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
রাঙ্গামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও উদ্যোগে এবং রাঙ্গামাটি সদর জোনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ একরামুল রাহাত, পিএসসি। তাঁর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাঙ্গামাটি সেনানিবাস এলাকা এবং এর আশপাশের সড়কসমূহে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন ও অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করেন।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা শুধু বর্জ্য সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং স্থানীয় জনগণের মাঝে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তাও প্রচার করেন। তারা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার বিষয়ে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য বর্তমানে পরিবেশ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। পাহাড়, জলাশয় ও সড়কের পাশে অবাধে ফেলে রাখা প্লাস্টিক দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে রাঙ্গামাটি রিজিয়ন ও রাঙ্গামাটি জোন নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ রক্ষামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে।
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সেনানিবাস ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশগত সৌন্দর্য সংরক্ষণ, দূষণ হ্রাস এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাঙ্গামাটি জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিকে আরও পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন