শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার ৫ম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহ আমানত হল মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ এশা পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক সাজেদুর রহমান মারুফ বলেন, “শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা ইসলামের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও দাঈ ছিলেন। তিনি খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে ১৮ জুন ২০২১ সালে নিজ বাড়িতে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত ছিল, তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন।”
২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মত পার্বত্য চট্টগ্রামেও খ্রীস্টান মিশনারীদের চক্রান্ত চলমান তিনি উল্লেখ করে বলেন সুদানকে ভেঙে আরেকটি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এবং ইন্দোনেশিয়ার একটি অংশকে ভেঙে পূর্ব তিমুর রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র বিশ্ব জানে। এইভাবে বিভিন্ন দেশের এবং বিভিন্ন অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে খ্রীস্টান ধর্মে দীক্ষিত করছে। এক্ষেত্রে আমাদের সচেতন হতে হবে।
২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আলামিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় রুকুন উদ্দীনের পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহ আমানত হল সংসদের জিএস ও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান, সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজেদুর রহমান মারুফ, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল হাসান, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ আলম ও মো. ইমন ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আনিসুল আবছার, ফরহাদ খন্দকার, সাব্বির রহমান আজহার, রুকুন উদ্দীন, মোজাম্মেল হোসেনসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের শেষে শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিঃদ্রঃ ওমর ফারুক ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন উপজাতীয় মুসলিম দাঈ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। ২০২১ সালের ১৮ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের নিজ এলাকায় সশস্ত্র হামলায় নিহত হন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার ৫ম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাহ আমানত হল মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাদ এশা পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক সাজেদুর রহমান মারুফ বলেন, “শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা ইসলামের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও দাঈ ছিলেন। তিনি খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে ১৮ জুন ২০২১ সালে নিজ বাড়িতে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত ছিল, তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন।”
২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,সারা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মত পার্বত্য চট্টগ্রামেও খ্রীস্টান মিশনারীদের চক্রান্ত চলমান তিনি উল্লেখ করে বলেন সুদানকে ভেঙে আরেকটি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা এবং ইন্দোনেশিয়ার একটি অংশকে ভেঙে পূর্ব তিমুর রাষ্ট্র গঠনের ষড়যন্ত্র বিশ্ব জানে। এইভাবে বিভিন্ন দেশের এবং বিভিন্ন অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে খ্রীস্টান ধর্মে দীক্ষিত করছে। এক্ষেত্রে আমাদের সচেতন হতে হবে।
২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আলামিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয় রুকুন উদ্দীনের পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শাহ আমানত হল সংসদের জিএস ও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবিদুর রহমান, সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজেদুর রহমান মারুফ, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল হাসান, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ আলম ও মো. ইমন ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আনিসুল আবছার, ফরহাদ খন্দকার, সাব্বির রহমান আজহার, রুকুন উদ্দীন, মোজাম্মেল হোসেনসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের শেষে শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিঃদ্রঃ ওমর ফারুক ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রামের একজন উপজাতীয় মুসলিম দাঈ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। ২০২১ সালের ১৮ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের নিজ এলাকায় সশস্ত্র হামলায় নিহত হন।

আপনার মতামত লিখুন