মহান জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য ও বর্তমান সরকারের সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান দেশের প্রচলিত আইন, সংবিধান এবং প্রশাসনিক বাস্তবতার আলোকে নিজেকে ও পাহাড়ের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে "উপজাতি" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এটি কোনো নতুন বিষয় নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নথি, আইন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত একটি স্বীকৃত পরিভাষারই প্রতিফলন।
সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা দেশের বিদ্যমান আইনগত কাঠামোর বাইরে নয়। বাংলাদেশের সংবিধান, বিভিন্ন সরকারি নথি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোকে বিভিন্ন পরিভাষায় চিহ্নিত করা হলেও "উপজাতি" শব্দের ব্যবহার দীর্ঘদিনের বাস্তবতা।
দুঃখজনকভাবে, তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কিছু উগ্রপন্থি ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছে। তারা বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়। অথচ একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক বাস্তবতার আলোকে বক্তব্য প্রদান করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে বিভাজনমূলক রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন। শব্দগত বিতর্ককে কেন্দ্র করে অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি না করে পাহাড়ের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া সময়ের দাবি।
জাতীয় ঐক্য, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সকল পক্ষের দায়িত্ব হবে বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি পরিহার করা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখা।
লেখক: পার্বত্য চট্টগ্রাম।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
মহান জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলার সংসদ সদস্য ও বর্তমান সরকারের সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান দেশের প্রচলিত আইন, সংবিধান এবং প্রশাসনিক বাস্তবতার আলোকে নিজেকে ও পাহাড়ের ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীকে "উপজাতি" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এটি কোনো নতুন বিষয় নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নথি, আইন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে ব্যবহৃত একটি স্বীকৃত পরিভাষারই প্রতিফলন।
সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা দেশের বিদ্যমান আইনগত কাঠামোর বাইরে নয়। বাংলাদেশের সংবিধান, বিভিন্ন সরকারি নথি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোকে বিভিন্ন পরিভাষায় চিহ্নিত করা হলেও "উপজাতি" শব্দের ব্যবহার দীর্ঘদিনের বাস্তবতা।
দুঃখজনকভাবে, তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের কিছু উগ্রপন্থি ও স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করছে। তারা বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায়। অথচ একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক বাস্তবতার আলোকে বক্তব্য প্রদান করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে বিভাজনমূলক রাজনীতি নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও গঠনমূলক আলোচনা প্রয়োজন। শব্দগত বিতর্ককে কেন্দ্র করে অযথা উত্তেজনা সৃষ্টি না করে পাহাড়ের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া সময়ের দাবি।
জাতীয় ঐক্য, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সকল পক্ষের দায়িত্ব হবে বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি পরিহার করা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পরিবেশ বজায় রাখা।
লেখক: পার্বত্য চট্টগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন