বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর তৎপরতায় দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট অস্থিরতা অনেকটাই কমে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে একসময় আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়া বহু পাহাড়ি পরিবার আবার নিজ নিজ গ্রামে ফিরে আসছে। স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
ভারতের মিজোরামসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া বম, ত্রিপুরা ও ম্রো সম্প্রদায়ের মানুষ ধীরে ধীরে নিজ গ্রামে ফিরছেন। এখন পর্যন্ত ২২১টি পরিবারের মোট ৫৩১ জন সদস্য তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসেছেন। একই সঙ্গে কেএনএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন সদস্যও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করেছেন।
যদিও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, তবে দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ও পরিবহন সংকট এবং পূর্ববর্তী অস্থিরতার প্রভাব এখনও স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলছে।
পাতা পাড়া, কাইতন পাড়া, বাকলাই পাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের বম, ম্রো ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা জানান, কেএনএফের তৎপরতার সময় তারা দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে জীবন কাটিয়েছেন। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে উপজেলা ও জেলা শহরে কিংবা সীমান্ত পেরিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কেএনএফ সদস্যরা বিভিন্ন পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তরুণদের সংগঠনে যোগ দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করত। এতে রাজি না হলে নির্যাতনের শিকার হতে হতো। এছাড়া সংগঠনের নির্দেশনা না মানলে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তারা।
গ্রামবাসীরা জানান, বর্তমানে এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার ফলে শিশু-কিশোররা আবার বিদ্যালয়ে যেতে পারছে এবং পরিবারগুলো আগের তুলনায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর তৎপরতায় দীর্ঘদিন ধরে সৃষ্ট অস্থিরতা অনেকটাই কমে এসেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ফলে একসময় আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে যাওয়া বহু পাহাড়ি পরিবার আবার নিজ নিজ গ্রামে ফিরে আসছে। স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
ভারতের মিজোরামসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া বম, ত্রিপুরা ও ম্রো সম্প্রদায়ের মানুষ ধীরে ধীরে নিজ গ্রামে ফিরছেন। এখন পর্যন্ত ২২১টি পরিবারের মোট ৫৩১ জন সদস্য তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে এসেছেন। একই সঙ্গে কেএনএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন সদস্যও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে আত্মসমর্পণ করেছেন।
যদিও নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, তবে দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ও পরিবহন সংকট এবং পূর্ববর্তী অস্থিরতার প্রভাব এখনও স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলছে।
পাতা পাড়া, কাইতন পাড়া, বাকলাই পাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের বম, ম্রো ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা জানান, কেএনএফের তৎপরতার সময় তারা দীর্ঘদিন আতঙ্কের মধ্যে জীবন কাটিয়েছেন। অনেক পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে উপজেলা ও জেলা শহরে কিংবা সীমান্ত পেরিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কেএনএফ সদস্যরা বিভিন্ন পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তরুণদের সংগঠনে যোগ দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করত। এতে রাজি না হলে নির্যাতনের শিকার হতে হতো। এছাড়া সংগঠনের নির্দেশনা না মানলে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তারা।
গ্রামবাসীরা জানান, বর্তমানে এলাকায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন এবং নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার ফলে শিশু-কিশোররা আবার বিদ্যালয়ে যেতে পারছে এবং পরিবারগুলো আগের তুলনায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছে।

আপনার মতামত লিখুন