রাঙ্গামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দাঙ্গা ও দস্যুতা সংগঠনের অভিযোগে দুই পলাতক আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং চোরচক্রের এক সদস্যসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল রাঙ্গামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে মোঃ আল মামুন ওরফে কেচি মামুন (৩৭) দাঙ্গা সংগঠনের অভিযোগে এবং রমেশ ত্রিপুরা ওরফে বাপ্পী ত্রিপুরা (৪৪) দস্যুতা সংগঠনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আল মামুনের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা এবং রমেশ ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতার আল মামুন রাঙ্গামাটির বনরূপা ফরেস্ট কলোনি এলাকায় বসবাস করতেন। অপরদিকে রমেশ ত্রিপুরা রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গর্জনতলী এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া বিশেষ অভিযানে মোঃ শামীম (২৭), শুক্কুর আলী (৩৮) ও মোঃ বাবু (৩০)-কে মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।
অভিযানে বিশ্ব নার্থ রবি দাশ (৪০), মোঃ বাছেদ আলী (৪০), মোঃ জমির উদ্দিন (৩৮) ও মোঃ ইউসুফ (৩২)-কে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ফরহাদ (৩৩) নামের একজনকে চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, ফরহাদ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে রাঙ্গামাটির আসামবস্তি এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে আল মামুন ও রমেশ ত্রিপুরাকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, চুরি, দাঙ্গা, দস্যুতা ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
রাঙ্গামাটিতে কোতয়ালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দাঙ্গা ও দস্যুতা সংগঠনের অভিযোগে দুই পলাতক আসামি, মাদক কারবারি, মাদকসেবী, জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং চোরচক্রের এক সদস্যসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল রাঙ্গামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারদের মধ্যে মোঃ আল মামুন ওরফে কেচি মামুন (৩৭) দাঙ্গা সংগঠনের অভিযোগে এবং রমেশ ত্রিপুরা ওরফে বাপ্পী ত্রিপুরা (৪৪) দস্যুতা সংগঠনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আল মামুনের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা এবং রমেশ ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতার আল মামুন রাঙ্গামাটির বনরূপা ফরেস্ট কলোনি এলাকায় বসবাস করতেন। অপরদিকে রমেশ ত্রিপুরা রাঙ্গামাটি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গর্জনতলী এলাকার বাসিন্দা।
এ ছাড়া বিশেষ অভিযানে মোঃ শামীম (২৭), শুক্কুর আলী (৩৮) ও মোঃ বাবু (৩০)-কে মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।
অভিযানে বিশ্ব নার্থ রবি দাশ (৪০), মোঃ বাছেদ আলী (৪০), মোঃ জমির উদ্দিন (৩৮) ও মোঃ ইউসুফ (৩২)-কে মাদক সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ ছাড়া ফরহাদ (৩৩) নামের একজনকে চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, ফরহাদ চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে রাঙ্গামাটির আসামবস্তি এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে আল মামুন ও রমেশ ত্রিপুরাকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, চুরি, দাঙ্গা, দস্যুতা ও বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন