বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রধান স্তম্ভ। "সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী" হিসেবে পরিচিত এই বাহিনী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি সীমানা পাহারা দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, কিছু চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল ও সুযোগসন্ধানী সমালোচক পরিকল্পিতভাবে বিজিবি এবং এর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে।
বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী একজন অত্যন্ত সৎ, মানবিক, দূরদর্শী এবং চৌকস সামরিক কর্মকর্তা। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এবং জটিল ভৌগোলিক পরিবেশে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের সুগভীর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় তাঁর এই অভিজ্ঞতা বিজিবিকে আরও সুসংগঠিত ও আধুনিক করে তুলেছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, স্মার্ট সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে, যা বিজিবিকে আরও বেশি আধুনিক ও গণমুখী হিসেবে গড়ে তুলেছে। বর্তমান মহাপরিচালকের বলিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ নেতৃত্বে বিজিবির অর্জিত বেশ কিছু ধারাবাহিক সাফল্য ও আভিযানিক দৃষ্টান্ত নিচে তুলে ধরা হলো।
মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর অবস্থান ও অনুপ্রবেশ রোধ: দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখে মহাপরিচালক স্পষ্ট ঘোষণা দেন যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস নয় এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষিত রয়েছে এবং হাজার হাজার সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।
সীমান্তে "পুশ-ইন" ও হত্যা রোধে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ভূমিকা: ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অন্যায়ভাবে "পুশ-ইন" চেষ্টা এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে মহাপরিচালক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিজিবি অত্যন্ত শক্ত ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্মার্ট সার্ভেল্যান্স ও বিজিবির টহল বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধ পুশ-ইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হচ্ছে।
মাদক, চোরাচালান ও অস্ত্রপাচার বিরোধী জিরো টলারেন্স: বিজিবি মহাপরিচালকের সরাসরি তদারকিতে সীমান্তে ইয়াবা, আইস এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর মাদকের চালান জব্দে বিজিবি ধারাবাহিক সফলতা অর্জন করেছে। একই সাথে সীমান্তজুড়ে স্বর্ণ, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা শাখা অভূতপূর্ব তৎপরতা প্রদর্শন করছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-সম্প্রীতি ও মানবিক সহায়তা: বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিজিবির অবদান অতুলনীয়। দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত রক্ষা থেকে শুরু করে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির ভূমিকা সর্বদা প্রশংসিত।
আধুনিক প্রযুক্তি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ: সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি, থার্মাল ইমেজিং ও নাইট ভিশন ডিভাইসের সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি সীমান্ত ব্যাংকের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগণের আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নানা কল্যাণমূলক পদক্ষেপ জোরদার করা হয়েছে।
যেখানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে চোরাচালান রোধ, অনুপ্রবেশ বন্ধ, মাদক ব্যবসা দমন এবং যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহতে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে, সেখানে একদল দেশবিরোধী চক্র পরিকল্পিতভাবে বিজিবিকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা করছে। বিজিবি ও এর শীর্ষ নেতৃত্বের নামে বানানো ভিত্তিহীন খবর, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা বাহিনীকে মানসিকভাবে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। বাহিনীর অর্জনকে খাটো করে দেখা এবং দেশের সীমান্তের একটি প্রধান নিরাপত্তা সংস্থাকে হেয় করা কেবল অকৃতজ্ঞতার নামান্তর নয়, বরং তা দেশবিরোধী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।
এমন একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালানো মানে সীমান্ত সুরক্ষাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া। যারা এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত, তারা মূলত দেশের শত্রু এবং সীমান্ত নিরাপত্তাকে নড়বড়ে করাই তাদের লুকানো এজেন্ডা।
ষড়যন্ত্রকারী ও স্বার্থান্বেষী মহলকে মনে রাখতে হবে, গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছড়িয়ে কখনো বিজিবির ত্যাগ ও অসামান্য অবদানকে ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। দেশের নাগরিক হিসেবে স্বার্থান্বেষী মহলের এই মিথ্যাচারকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সাধারণ জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই বিজিবির মূল চালিকাশক্তি। অপপ্রচারের চোরাবালিতে তলিয়ে না গিয়ে দেশের সকল সচেতন নাগরিকের উচিত সীমান্ত রক্ষীদের মানসিক বল বজায় রাখতে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সহযোগিতা করা।
সবমিলিয়ে যেকোনো মূল্যে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং বিজিবি সদস্যদের অসীম আত্মত্যাগ সর্বদাই প্রশংসার দাবিদার। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই চেষ্টা করুক না কেন, সত্যের জয় সুনিশ্চিত। বিজিবি সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বরাবরের মতোই দেশের সীমান্ত পাহাড়ায় অনড় থাকবে এবং সব অপপ্রচারের জবাব নিজেদের কর্মদক্ষতা দিয়েই দিয়ে যাবে।
লেখক: এম এম রাহমান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার প্রধান স্তম্ভ। "সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী" হিসেবে পরিচিত এই বাহিনী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের প্রতিটি ইঞ্চি সীমানা পাহারা দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দক্ষ ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, কিছু চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল ও সুযোগসন্ধানী সমালোচক পরিকল্পিতভাবে বিজিবি এবং এর শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যাচারে লিপ্ত হয়েছে।
বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী একজন অত্যন্ত সৎ, মানবিক, দূরদর্শী এবং চৌকস সামরিক কর্মকর্তা। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এবং জটিল ভৌগোলিক পরিবেশে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের সুগভীর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় তাঁর এই অভিজ্ঞতা বিজিবিকে আরও সুসংগঠিত ও আধুনিক করে তুলেছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্তে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, স্মার্ট সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম অভূতপূর্ব গতি পেয়েছে, যা বিজিবিকে আরও বেশি আধুনিক ও গণমুখী হিসেবে গড়ে তুলেছে। বর্তমান মহাপরিচালকের বলিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ নেতৃত্বে বিজিবির অর্জিত বেশ কিছু ধারাবাহিক সাফল্য ও আভিযানিক দৃষ্টান্ত নিচে তুলে ধরা হলো।
মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর অবস্থান ও অনুপ্রবেশ রোধ: দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মুখে মহাপরিচালক স্পষ্ট ঘোষণা দেন যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস নয় এবং সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে। বিজিবির দৃঢ় অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষিত রয়েছে এবং হাজার হাজার সীমান্তবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে।
সীমান্তে "পুশ-ইন" ও হত্যা রোধে কূটনৈতিক ও কৌশলগত ভূমিকা: ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অন্যায়ভাবে "পুশ-ইন" চেষ্টা এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে মহাপরিচালক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিজিবি অত্যন্ত শক্ত ও আপসহীন অবস্থান গ্রহণ করেছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্মার্ট সার্ভেল্যান্স ও বিজিবির টহল বৃদ্ধির মাধ্যমে অবৈধ পুশ-ইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হচ্ছে।
মাদক, চোরাচালান ও অস্ত্রপাচার বিরোধী জিরো টলারেন্স: বিজিবি মহাপরিচালকের সরাসরি তদারকিতে সীমান্তে ইয়াবা, আইস এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর মাদকের চালান জব্দে বিজিবি ধারাবাহিক সফলতা অর্জন করেছে। একই সাথে সীমান্তজুড়ে স্বর্ণ, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাচার রোধে বিজিবির গোয়েন্দা শাখা অভূতপূর্ব তৎপরতা প্রদর্শন করছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-সম্প্রীতি ও মানবিক সহায়তা: বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিজিবির অবদান অতুলনীয়। দুর্গম পাহাড়ি সীমান্ত রক্ষা থেকে শুরু করে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির ভূমিকা সর্বদা প্রশংসিত।
আধুনিক প্রযুক্তি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগ: সীমান্ত সুরক্ষায় আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তি, থার্মাল ইমেজিং ও নাইট ভিশন ডিভাইসের সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি সীমান্ত ব্যাংকের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী জনগণের আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নানা কল্যাণমূলক পদক্ষেপ জোরদার করা হয়েছে।
যেখানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর দূরদর্শী নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সীমান্তে চোরাচালান রোধ, অনুপ্রবেশ বন্ধ, মাদক ব্যবসা দমন এবং যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহতে সাহসিকতার পরিচয় দিচ্ছে, সেখানে একদল দেশবিরোধী চক্র পরিকল্পিতভাবে বিজিবিকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা করছে। বিজিবি ও এর শীর্ষ নেতৃত্বের নামে বানানো ভিত্তিহীন খবর, গুজব এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তারা দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা বাহিনীকে মানসিকভাবে দুর্বল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। বাহিনীর অর্জনকে খাটো করে দেখা এবং দেশের সীমান্তের একটি প্রধান নিরাপত্তা সংস্থাকে হেয় করা কেবল অকৃতজ্ঞতার নামান্তর নয়, বরং তা দেশবিরোধী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।
এমন একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালানো মানে সীমান্ত সুরক্ষাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া। যারা এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচারে লিপ্ত, তারা মূলত দেশের শত্রু এবং সীমান্ত নিরাপত্তাকে নড়বড়ে করাই তাদের লুকানো এজেন্ডা।
ষড়যন্ত্রকারী ও স্বার্থান্বেষী মহলকে মনে রাখতে হবে, গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছড়িয়ে কখনো বিজিবির ত্যাগ ও অসামান্য অবদানকে ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। দেশের নাগরিক হিসেবে স্বার্থান্বেষী মহলের এই মিথ্যাচারকে কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সাধারণ জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই বিজিবির মূল চালিকাশক্তি। অপপ্রচারের চোরাবালিতে তলিয়ে না গিয়ে দেশের সকল সচেতন নাগরিকের উচিত সীমান্ত রক্ষীদের মানসিক বল বজায় রাখতে তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সহযোগিতা করা।
সবমিলিয়ে যেকোনো মূল্যে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং বিজিবি সদস্যদের অসীম আত্মত্যাগ সর্বদাই প্রশংসার দাবিদার। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই চেষ্টা করুক না কেন, সত্যের জয় সুনিশ্চিত। বিজিবি সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বরাবরের মতোই দেশের সীমান্ত পাহাড়ায় অনড় থাকবে এবং সব অপপ্রচারের জবাব নিজেদের কর্মদক্ষতা দিয়েই দিয়ে যাবে।
লেখক: এম এম রাহমান
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক লেখক ও গবেষক।

আপনার মতামত লিখুন