নিরাপদ সড়ক কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি মো. হাবীব আজম এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে হলে কেবল একটি পক্ষের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। সড়ক দুর্ঘটনা বা 'রোড ক্র্যাশ' প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইনের যথাযথ ও কঠোর প্রয়োগ এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।
তারা আরও বলেন, "নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।" দেশ ও সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বাগ্রে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
সবশেষে, একটি দুর্ঘটনামুক্ত ও নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার জন্য যার যার নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন এবং আইন মেনে চলার জন্য সচেতন নাগরিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
নিরাপদ সড়ক কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি মো. হাবীব আজম এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন এই মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি রোধ করতে হলে কেবল একটি পক্ষের ওপর নির্ভর করলে চলবে না। সড়ক দুর্ঘটনা বা 'রোড ক্র্যাশ' প্রতিরোধে গণসচেতনতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইনের যথাযথ ও কঠোর প্রয়োগ এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য।
তারা আরও বলেন, "নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ।" দেশ ও সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে সর্বাগ্রে নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
সবশেষে, একটি দুর্ঘটনামুক্ত ও নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার জন্য যার যার নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন এবং আইন মেনে চলার জন্য সচেতন নাগরিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন