ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, তরুণ শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে আমাদের অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের ইতিহাস জীবন্ত হয়ে উঠেছে। শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে তরুণদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, চারুকলা একটি জাতির সভ্যতার আয়না।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সুস্থ ও প্রগতিশীল শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করছেন, যা শিল্পীদের আরও উৎসাহিত করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের তরুণদের শিল্পচর্চার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে। বর্তমান সরকার ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার গুরুত্বকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, “আমাদের তরুণরা শিল্প ও সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত হোক। তাদের শিল্পকর্ম আমাদের অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির আয়না যত উজ্জ্বল হবে, জাতি তত বেশি নিজেকে চিনতে ও আবিষ্কার করতে পারবে।”
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং ‘অধিকারের সংগ্রাম’ আর্ট এক্সিবিশনের প্রধান সমন্বয়ক, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী তরুণ শিল্পীদের অভিনন্দন জানান। তিনি ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাত দশকের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরার এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, তরুণ শিল্পীদের তুলির আঁচড়ে আমাদের অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের ইতিহাস জীবন্ত হয়ে উঠেছে। শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে তরুণদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, চারুকলা একটি জাতির সভ্যতার আয়না।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত ‘অধিকারের সংগ্রাম’ শীর্ষক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সুস্থ ও প্রগতিশীল শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করছেন, যা শিল্পীদের আরও উৎসাহিত করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের তরুণদের শিল্পচর্চার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে। বর্তমান সরকার ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চার গুরুত্বকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, “আমাদের তরুণরা শিল্প ও সংস্কৃতির আলোয় আলোকিত হোক। তাদের শিল্পকর্ম আমাদের অদম্য সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতির আয়না যত উজ্জ্বল হবে, জাতি তত বেশি নিজেকে চিনতে ও আবিষ্কার করতে পারবে।”
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং ‘অধিকারের সংগ্রাম’ আর্ট এক্সিবিশনের প্রধান সমন্বয়ক, আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী তরুণ শিল্পীদের অভিনন্দন জানান। তিনি ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাত দশকের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরার এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

আপনার মতামত লিখুন