খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অবৈধভাবে মজুদ করা ২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত গুদামের বাইরে রাখার অপরাধে ডিলারের ম্যানেজারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ২ নম্বর বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার প্রতিষ্ঠান এসএস ট্রেডার্সে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত ২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার মজুদ করা হয়েছিল। পরে সারগুলো অবৈধ ঘোষণা করে জব্দ করা হয়। পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত গুদামে না রেখে অন্যত্র সংরক্ষণ করায় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানান, জব্দ করা সারগুলো হেফাজতে নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় খুচরা সার বিক্রেতা ও কয়েকজনের অভিযোগ, জব্দ করা সার তামাক চাষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। এছাড়া খুচরা সার বিক্রেতাদের নিয়মিত সার না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অবৈধভাবে মজুদ করা ২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত গুদামের বাইরে রাখার অপরাধে ডিলারের ম্যানেজারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ২ নম্বর বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার প্রতিষ্ঠান এসএস ট্রেডার্সে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
দীঘিনালা উপজেলা প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত ২১ মেট্রিক টন ডিএপি সার মজুদ করা হয়েছিল। পরে সারগুলো অবৈধ ঘোষণা করে জব্দ করা হয়। পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত গুদামে না রেখে অন্যত্র সংরক্ষণ করায় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া সুলতানা জানান, জব্দ করা সারগুলো হেফাজতে নিয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় খুচরা সার বিক্রেতা ও কয়েকজনের অভিযোগ, জব্দ করা সার তামাক চাষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল। এছাড়া খুচরা সার বিক্রেতাদের নিয়মিত সার না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন