বাংলাদেশকে ‘গুজবের দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ইচ্ছামতো তথ্য প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মানুষের চরিত্র হননসহ বিভিন্ন অপকর্মে কিছু মানুষ জড়িয়ে পড়ছে। এসব অপতৎপরতা মোকাবিলায় তথ্য যাচাই ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ের গুরুত্ব রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটির ট্রাইবাল এলাকায় জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এমবি কিনে ফেসবুকে যা মনে চায় সব লেখা যায়। এআইয়ের অপব্যবহার করে মানুষের চরিত্র হননসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে কিছু লোক যুক্ত হচ্ছে।” তাঁর মতে, জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুরু হলে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য যাচাই করা সহজ হবে। এটি শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নয়, সাধারণ মানুষের সামাজিক অবক্ষয় রোধেও সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের এই সময়ে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়িয়ে পড়লে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই তথ্য যাচাই, সচেতনতা সৃষ্টি ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য অবকাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।
দেশের চলচ্চিত্র শিল্প নিয়েও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের অনাচারে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংসের পথে চলে গেছে। চলচ্চিত্র শিল্পকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে একটি মিনি সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তথ্য কমপ্লেক্সটি নির্মিত হলে রাঙামাটির মানুষের জন্য আধুনিক তথ্যসেবা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি তথ্য যাচাই ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম আব্দুর রহমান। এ সময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশকে ‘গুজবের দেশ’ হিসেবে অভিহিত করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে ইচ্ছামতো তথ্য প্রকাশের সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে মানুষের চরিত্র হননসহ বিভিন্ন অপকর্মে কিছু মানুষ জড়িয়ে পড়ছে। এসব অপতৎপরতা মোকাবিলায় তথ্য যাচাই ও ফ্যাক্ট চেকিংয়ের গুরুত্ব রয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটির ট্রাইবাল এলাকায় জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এমবি কিনে ফেসবুকে যা মনে চায় সব লেখা যায়। এআইয়ের অপব্যবহার করে মানুষের চরিত্র হননসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে কিছু লোক যুক্ত হচ্ছে।” তাঁর মতে, জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুরু হলে ফ্যাক্ট চেকিংয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য যাচাই করা সহজ হবে। এটি শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নয়, সাধারণ মানুষের সামাজিক অবক্ষয় রোধেও সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের এই সময়ে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে তা ছড়িয়ে পড়লে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই তথ্য যাচাই, সচেতনতা সৃষ্টি ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে আধুনিক তথ্য অবকাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।
দেশের চলচ্চিত্র শিল্প নিয়েও বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের অনাচারে দেশের চলচ্চিত্র শিল্প ধ্বংসের পথে চলে গেছে। চলচ্চিত্র শিল্পকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে জেলা আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সে একটি মিনি সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, তথ্য কমপ্লেক্সটি নির্মিত হলে রাঙামাটির মানুষের জন্য আধুনিক তথ্যসেবা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি তথ্য যাচাই ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখতে পারবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম আব্দুর রহমান। এ সময় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিবসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন