খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে পরিচালিত ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ধাপে রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মহালছড়ি জোন সদরে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এসময়, মহালছড়ি জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত চোখের রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ প্রদান করা হয়।
ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রোগী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মহালছড়ি জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ জানান, গত ৭ মে মহালছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে যেসব রোগী চশমা পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন,আজকে তাদের মাঝে দ্বিতীয় ধাপে চশমা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগলেও আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসা ও চশমা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। মহালছড়ি জোনের এমন উদ্যোগে তারা খুবই উপকৃত হয়েছেন। তারা সেনাবাহিনীর এ মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে পরিচালিত ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ধাপে রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মহালছড়ি জোন সদরে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এসময়, মহালছড়ি জোনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত চোখের রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ প্রদান করা হয়।
ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন, মহালছড়ি জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত রোগী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মহালছড়ি জোনের আরএমও ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ জানান, গত ৭ মে মহালছড়ি জোনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ও চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে যেসব রোগী চশমা পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন,আজকে তাদের মাঝে দ্বিতীয় ধাপে চশমা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগলেও আর্থিক সংকটের কারণে চিকিৎসা ও চশমা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। মহালছড়ি জোনের এমন উদ্যোগে তারা খুবই উপকৃত হয়েছেন। তারা সেনাবাহিনীর এ মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন