মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
২৮ জুলাই, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে এখনো হাজারো পরিবার, আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা।



কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে এখনো হাজারো পরিবার, আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা।

টানা কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় সড়ক ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সম্ভাব্য পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বারবার আহ্বান জানানো হলেও বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মাত্র ১০৩ জন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখলেও এখনো হাজারো পরিবার মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে। এর মধ্যে ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনিতে প্রায় ৫০০ পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার মাইকিং করে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনুরোধ জানানো হলেও অনেকেই সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতে মোট ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে খিচুড়িসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।”

৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন, “প্রতি বছর বর্ষা এলেই আমাদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনিতে প্রায় ৫০০ পরিবার পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২৩ জন সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী সবাইকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে গিয়ে জীবন রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে এখনো হাজারো পরিবার, আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা।

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা কয়েকদিনের অবিরাম বৃষ্টিতে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় সড়ক ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সম্ভাব্য পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বারবার আহ্বান জানানো হলেও বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মাত্র ১০৩ জন আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখলেও এখনো হাজারো পরিবার মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে। এর মধ্যে ৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনিতে প্রায় ৫০০ পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার মাইকিং করে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনুরোধ জানানো হলেও অনেকেই সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতে মোট ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে খিচুড়িসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে।”

৪ নম্বর কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ বলেন, “প্রতি বছর বর্ষা এলেই আমাদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ঢাকাইয়া কলোনিতে প্রায় ৫০০ পরিবার পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ২৩ জন সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী সবাইকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে গিয়ে জীবন রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : এইচ এ আব্দুর রউফ, উপদেষ্টা : কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত