শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
১৩ জুন, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

ফেসবুক স্ট্যাটাসে নজর, আসামবস্তি শ্মশানে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের উদ্যোগ।



ফেসবুক স্ট্যাটাসে নজর, আসামবস্তি শ্মশানে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের উদ্যোগ।

রাঙ্গামাটি শহরের অন্যতম বৃহৎ আসামবস্তি শ্মশানের দীর্ঘদিনের পানিসংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শ্মশানটির অব্যবস্থা ও পানির সংকট নিয়ে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাস তার নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সেখানে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বহু বছর ধরে শ্মশানটিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে মৃতদেহ সৎকারের সময় পানির সংকটের কারণে স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশিত হলে সেটি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দৃষ্টিগোচর হয়।

বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে একটি গভীর নলকূপ (ডিপ টিউবওয়েল) স্থাপন করা হয়।

ফলে দীর্ঘদিনের পানির সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, এখন থেকে শ্মশানে মৃতদেহ সৎকারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে পানির অভাবজনিত দুর্ভোগ আর থাকবে না।

শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, গত ১৭ থেকে ১৮ বছরে শ্মশানটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রবেশ সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যাও দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত ছিল। তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী যে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তাদের ভাষ্য, “ব্যারিস্টার মীর হেলাল মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয়টি বিবেচনা করেছেন। দ্রুত ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা করায় দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা সমাধান হয়েছে। তিনি শ্মশানটির আরও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের আশ্বাসও দিয়েছেন।”

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী সবসময় সচেতন থাকেন। আসামবস্তি শ্মশানের পানির সংকটের বিষয়টি জানার পর তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্মশানের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়েও আমরা কাজ করছি।”

এদিকে শ্মশান কমিটির সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, শ্মশানের অবকাঠামোগত অন্যান্য সমস্যারও দ্রুত সমাধান হবে এবং এটি ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও ব্যবহার উপযোগী স্থানে পরিণত হবে।

স্থানীয়দের মতে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও সামাজিক অবকাঠামোর সংকট নিরসনে দ্রুত সাড়া দেওয়ার এই উদ্যোগ জনসেবামূলক কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ফেসবুক স্ট্যাটাসে নজর, আসামবস্তি শ্মশানে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের উদ্যোগ।

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬

featured Image

রাঙ্গামাটি শহরের অন্যতম বৃহৎ আসামবস্তি শ্মশানের দীর্ঘদিনের পানিসংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শ্মশানটির অব্যবস্থা ও পানির সংকট নিয়ে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাস তার নজরে আসার পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সেখানে একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বহু বছর ধরে শ্মশানটিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে মৃতদেহ সৎকারের সময় পানির সংকটের কারণে স্বজনদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশিত হলে সেটি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের দৃষ্টিগোচর হয়।

বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে একটি গভীর নলকূপ (ডিপ টিউবওয়েল) স্থাপন করা হয়।

ফলে দীর্ঘদিনের পানির সংকট অনেকাংশে দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, এখন থেকে শ্মশানে মৃতদেহ সৎকারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে পানির অভাবজনিত দুর্ভোগ আর থাকবে না।

শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, গত ১৭ থেকে ১৮ বছরে শ্মশানটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রবেশ সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যাও দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত ছিল। তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী যে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

তাদের ভাষ্য, “ব্যারিস্টার মীর হেলাল মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয়টি বিবেচনা করেছেন। দ্রুত ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের ব্যবস্থা করায় দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা সমাধান হয়েছে। তিনি শ্মশানটির আরও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ বাস্তবায়নের আশ্বাসও দিয়েছেন।”

জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও চাহিদার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী সবসময় সচেতন থাকেন। আসামবস্তি শ্মশানের পানির সংকটের বিষয়টি জানার পর তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে অল্প সময়ের মধ্যেই ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্মশানের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়েও আমরা কাজ করছি।”

এদিকে শ্মশান কমিটির সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, শ্মশানের অবকাঠামোগত অন্যান্য সমস্যারও দ্রুত সমাধান হবে এবং এটি ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও ব্যবহার উপযোগী স্থানে পরিণত হবে।

স্থানীয়দের মতে, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও সামাজিক অবকাঠামোর সংকট নিরসনে দ্রুত সাড়া দেওয়ার এই উদ্যোগ জনসেবামূলক কার্যক্রমের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : উপদেষ্টা :কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত