বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেতলাং পাহাড় এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, ওই এলাকায় কেএনএফের একটি অস্ত্র চোরাচালান ক্যাম্পে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। ক্যাম্পটিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন কেএনএফ সদস্য অবস্থান করছিলো। সংঘর্ষে কেএনএফের ৫ থেকে ৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে এবং তাদের মরদেহ সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার সময় কিছু অস্ত্র ও সরঞ্জাম ফেলে যায় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা।
এছাড়া ওই এলাকায় ইউপিডিএফের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছে এবং ১২ জনের একটি দল বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে জানা যায়, এসব অস্ত্র কেএনএফ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে সংগ্রহ করেছে।
অভিযান শেষে ক্যাম্পের আশপাশ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অতিরিক্ত সেনা, ভারী অস্ত্র ও মর্টারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেতলাং পাহাড় এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) ও ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, ওই এলাকায় কেএনএফের একটি অস্ত্র চোরাচালান ক্যাম্পে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। ক্যাম্পটিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন কেএনএফ সদস্য অবস্থান করছিলো। সংঘর্ষে কেএনএফের ৫ থেকে ৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে এবং তাদের মরদেহ সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার সময় কিছু অস্ত্র ও সরঞ্জাম ফেলে যায় কেএনএফ সন্ত্রাসীরা।
এছাড়া ওই এলাকায় ইউপিডিএফের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছে এবং ১২ জনের একটি দল বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে জানা যায়, এসব অস্ত্র কেএনএফ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে সংগ্রহ করেছে।
অভিযান শেষে ক্যাম্পের আশপাশ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অতিরিক্ত সেনা, ভারী অস্ত্র ও মর্টারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন