বান্দরবানে চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ কাঠ পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখে বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় সেনাবাহিনী একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে।
সেনা টহল দলের নিয়মিত কার্যক্রম চলাকালীন রাস্তার পাশে অবৈধভাবে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা কাঠ বোঝাই একটি টয়োটা পিক-আপ (লট নং-৩৮) সেনা সদস্যদের নজরে আসে। সে সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাঠের মালিক মিলন বড়ুয়া (সাং- বালাঘাটা, উপজেলা: বান্দরবান সদর, জেলা: বান্দরবান)-কে কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হলে তিনি কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় বন বিভাগকে অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঠের বৈধতা যাচাই করেন। প্রয়োজনীয় ও বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকায় তারা জব্দকৃত কাঠ নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেন এবং প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এই বিশেষ অভিযানে মোট ৭৭৯ (সাতশত ঊনআশি) টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়েছে, যার মোট আয়তন ৪৯৩.৩৪ (চারশত তিরানব্বই দশমিক তিন চার) ঘনফুট। জব্দকৃত এই কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪,৮০,০২০/- (চৌদ্দ লক্ষ আশি হাজার বিশ) টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ কাঠ পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখে বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় সেনাবাহিনী একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে।
সেনা টহল দলের নিয়মিত কার্যক্রম চলাকালীন রাস্তার পাশে অবৈধভাবে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা কাঠ বোঝাই একটি টয়োটা পিক-আপ (লট নং-৩৮) সেনা সদস্যদের নজরে আসে। সে সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাঠের মালিক মিলন বড়ুয়া (সাং- বালাঘাটা, উপজেলা: বান্দরবান সদর, জেলা: বান্দরবান)-কে কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করা হলে তিনি কোনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় বন বিভাগকে অবহিত করা হয়। খবর পেয়ে বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঠের বৈধতা যাচাই করেন। প্রয়োজনীয় ও বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকায় তারা জব্দকৃত কাঠ নিজেদের হেফাজতে গ্রহণ করেন এবং প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এই বিশেষ অভিযানে মোট ৭৭৯ (সাতশত ঊনআশি) টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়েছে, যার মোট আয়তন ৪৯৩.৩৪ (চারশত তিরানব্বই দশমিক তিন চার) ঘনফুট। জব্দকৃত এই কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪,৮০,০২০/- (চৌদ্দ লক্ষ আশি হাজার বিশ) টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন