বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্ভাব্য ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়, তাঁদের মধ্যে অন্যতম লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি।
১৯৯১ সালের ২১ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইনফ্যান্ট্রিতে (২৪তম বিএমএ লং কোর্স) কমিশন লাভ করেন তিনি। দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি দক্ষ, বিচক্ষণ ও পেশাদার নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কর্মজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি হেডকোয়ার্টার্সে সামরিক সচিব (মিলিটারি সেক্রেটারি) এবং প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা দেশের সামরিক প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পদ।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাঁর নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহে চট্টগ্রাম অঞ্চলে তাঁর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে ইতিবাচক মূল্যায়ন প্রকাশিত হয়েছে।
দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, কৌশলগত নেতৃত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যত নেতৃত্বের আলোচনায় অন্যতম সম্ভাব্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
দেশ ও জাতির সেবায় তাঁর পেশাগত অবদান আরও সমৃদ্ধ হোক এবং আগামী দিনগুলোতেও তিনি একই নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম নিয়ে দায়িত্ব পালন করে যান, এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।
এম মহাসিন মিয়া
লেখক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সম্ভাব্য ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়, তাঁদের মধ্যে অন্যতম লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি।
১৯৯১ সালের ২১ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোর অব ইনফ্যান্ট্রিতে (২৪তম বিএমএ লং কোর্স) কমিশন লাভ করেন তিনি। দীর্ঘ সামরিক জীবনে তিনি দক্ষ, বিচক্ষণ ও পেশাদার নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন। কর্মজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি হেডকোয়ার্টার্সে সামরিক সচিব (মিলিটারি সেক্রেটারি) এবং প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
বর্তমানে তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা দেশের সামরিক প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পদ।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন জাতীয় ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে তাঁর নেতৃত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই মাসের ঘটনাপ্রবাহে চট্টগ্রাম অঞ্চলে তাঁর নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে ইতিবাচক মূল্যায়ন প্রকাশিত হয়েছে।
দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, কৌশলগত নেতৃত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যত নেতৃত্বের আলোচনায় অন্যতম সম্ভাব্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
দেশ ও জাতির সেবায় তাঁর পেশাগত অবদান আরও সমৃদ্ধ হোক এবং আগামী দিনগুলোতেও তিনি একই নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা ও দেশপ্রেম নিয়ে দায়িত্ব পালন করে যান, এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।
এম মহাসিন মিয়া
লেখক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।

আপনার মতামত লিখুন