ফুটবলের প্রসার, নতুন প্রতিভা অন্বেষণ এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (প্রমীলা)। শনিবার (২৭ জুন) উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী ম্যাচেই দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জুরাছড়ি উপজেলা প্রমীলা ফুটবল দল। একতরফা খেলায় কাপ্তাই উপজেলা প্রমীলা দলকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে জুরাছড়ির মেয়েরা।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একরামুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ভুট্টোসহ প্রশাসন, ক্রীড়া সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, "প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার পাশাপাশি নারীদের খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই টুর্নামেন্ট রাঙ্গামাটিতে নারী ফুটবলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্র প্রস্তুত করবে।"
তিনি আরও বলেন, "রাঙ্গামাটির কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও রাঙ্গামাটির সুনাম বয়ে এনেছেন। আজকের এই মাঠ থেকেই আগামী দিনের আরও অনেক ঋতুপর্ণা উঠে আসবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
আয়োজকরা জানান, এবারের টুর্নামেন্টে রাঙ্গামাটি জেলার ১০টি উপজেলার নারী ফুটবল দল অংশগ্রহণ করছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান নারী ফুটবলারদের খুঁজে বের করে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ শুধু নারী ফুটবলের বিকাশেই নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের মেয়েদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং জাতীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
ফুটবলের প্রসার, নতুন প্রতিভা অন্বেষণ এবং খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে জেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (প্রমীলা)। শনিবার (২৭ জুন) উৎসবমুখর পরিবেশে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী ম্যাচেই দারুণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে জুরাছড়ি উপজেলা প্রমীলা ফুটবল দল। একতরফা খেলায় কাপ্তাই উপজেলা প্রমীলা দলকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করে জুরাছড়ির মেয়েরা।
এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি সদর জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাত, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ রুহুল আমীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক একরামুল হক ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ভুট্টোসহ প্রশাসন, ক্রীড়া সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, "প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার পাশাপাশি নারীদের খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এই টুর্নামেন্ট রাঙ্গামাটিতে নারী ফুটবলের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরির ক্ষেত্র প্রস্তুত করবে।"
তিনি আরও বলেন, "রাঙ্গামাটির কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ ও রাঙ্গামাটির সুনাম বয়ে এনেছেন। আজকের এই মাঠ থেকেই আগামী দিনের আরও অনেক ঋতুপর্ণা উঠে আসবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।"
আয়োজকরা জানান, এবারের টুর্নামেন্টে রাঙ্গামাটি জেলার ১০টি উপজেলার নারী ফুটবল দল অংশগ্রহণ করছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান নারী ফুটবলারদের খুঁজে বের করে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগ শুধু নারী ফুটবলের বিকাশেই নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের মেয়েদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং জাতীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন