পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-সম্প্রীতি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকারের তিনটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ও গেজেট প্রকাশ করায় সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছে "খাগড়াছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদ।"
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা ও বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে গঠিত এই তিন স্তরের সমন্বিত কাঠামো এখানকার সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংগঠনটি জানায়, জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য গঠিত হয়েছে "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি", মাঠপর্যায়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি" এবং স্থানীয় বাস্তবতা, জনগণের মতামত ও বিভিন্ন অংশীজনের পরামর্শ রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রতিফলনের জন্য "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি"।
তারা বলেন, স্থানীয় জনগণের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। পাহাড়ি-বাঙালিসহ সব জনগোষ্ঠীর ন্যায়সংগত অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে পরামর্শক কমিটি রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও যোগাযোগ বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, পর্যটন, হস্তশিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে তুলতে নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহিংসতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ভয়ভীতি ও অবৈধ অস্ত্রের রাজনীতির বিরোধিতা করে সংগঠনটি একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জনগণের আস্থা, ন্যায়সংগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি পাহাড়ি-বাঙালি পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিগত বৈচিত্র্যকে সম্মান করে সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সর্বোপরি, সরকারের এই উদ্যোগকে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন, উন্নয়ন ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উল্লেখ করে এর সফল বাস্তবায়নে গঠনমূলক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল নাগরিক ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেছে "খাগড়াছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদ"।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি-সম্প্রীতি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও অগ্রগতির লক্ষ্যে সরকারের তিনটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন ও গেজেট প্রকাশ করায় সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও সন্তোষ প্রকাশ করেছে "খাগড়াছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদ।"
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই উন্নয়নে সরকারের এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতা ও বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে গঠিত এই তিন স্তরের সমন্বিত কাঠামো এখানকার সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংগঠনটি জানায়, জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য গঠিত হয়েছে "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি", মাঠপর্যায়ে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি" এবং স্থানীয় বাস্তবতা, জনগণের মতামত ও বিভিন্ন অংশীজনের পরামর্শ রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রতিফলনের জন্য "পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি"।
তারা বলেন, স্থানীয় জনগণের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়া অত্যন্ত ইতিবাচক। পাহাড়ি-বাঙালিসহ সব জনগোষ্ঠীর ন্যায়সংগত অধিকার, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে পরামর্শক কমিটি রাষ্ট্র ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে আস্থা ও যোগাযোগ বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, পর্যটন, হস্তশিল্প, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে তুলতে নতুন কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহিংসতা, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ভয়ভীতি ও অবৈধ অস্ত্রের রাজনীতির বিরোধিতা করে সংগঠনটি একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি জনগণের আস্থা, ন্যায়সংগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। পাশাপাশি পাহাড়ি-বাঙালি পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমে ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিগত বৈচিত্র্যকে সম্মান করে সকল জনগোষ্ঠীর সমঅধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সর্বোপরি, সরকারের এই উদ্যোগকে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন, উন্নয়ন ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ উল্লেখ করে এর সফল বাস্তবায়নে গঠনমূলক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল নাগরিক ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেছে "খাগড়াছড়ি মারমা ঐক্য পরিষদ"।

আপনার মতামত লিখুন