বান্দরবানে এলপিজি গ্যাসের দাম নিয়ে ডেইলি স্টার বাংলার একটি প্রতিবেদনের ক্যাপশন ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে জনমনে। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে "বান্দরবানে গ্যাসের দাম ৩৫০০ টাকা"। এতে মনে হতে পারে, শুধু গ্যাসের জন্যই এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
সংশ্লিষ্ট দোকানদার সিলিন্ডারসহ গ্যাসের দাম ৩৫০০ টাকা চেয়েছেন। অর্থাৎ, এই অঙ্কের মধ্যে গ্যাসের দাম এবং নতুন সিলিন্ডারের দাম, দুটোই অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত সরকার কর্তৃক নির্ধারিত গ্যাসের দাম বর্তমামে ১৮৩৭ টাকা।
প্রতিবেদনের ভেতরে সিলিন্ডার কেনার প্রসঙ্গ থাকলেও ক্যাপশনে তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে যাঁরা শুধু ক্যাপশন বা শিরোনাম দেখেন, তাঁরা ধরে নিচ্ছেন গ্যাসের দামই ৩৫০০ টাকা। ছড়িয়ে পড়া এই ভুল ধারণায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুচক্রি মহল সরকার বিরোধী নেরেটিভ ছড়াতে শুরু করেছে। এমনিতেই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে জনমনে ক্ষোভ রয়েছে, তন্মধ্যে এমন বিভ্রান্তিকর নিউজে হেডলাইন জনগণের ক্ষোভ আরোও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, সংকটের সময় দাম নিয়ে যেকোনো তথ্য মানুষের সিদ্ধান্ত ও আচরণে প্রভাব ফেলে। অর্ধেক তথ্যের ক্যাপশন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, আবার পুরো এলাকার ব্যবসায়ীদের নিয়েও ভুল ধারণা তৈরি করে। দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাছে প্রত্যাশা, দাম সংক্রান্ত তথ্য ক্যাপশনেই পরিষ্কার থাকবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বান্দরবানে এলপিজি গ্যাসের দাম নিয়ে ডেইলি স্টার বাংলার একটি প্রতিবেদনের ক্যাপশন ঘিরে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে জনমনে। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে "বান্দরবানে গ্যাসের দাম ৩৫০০ টাকা"। এতে মনে হতে পারে, শুধু গ্যাসের জন্যই এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
সংশ্লিষ্ট দোকানদার সিলিন্ডারসহ গ্যাসের দাম ৩৫০০ টাকা চেয়েছেন। অর্থাৎ, এই অঙ্কের মধ্যে গ্যাসের দাম এবং নতুন সিলিন্ডারের দাম, দুটোই অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত সরকার কর্তৃক নির্ধারিত গ্যাসের দাম বর্তমামে ১৮৩৭ টাকা।
প্রতিবেদনের ভেতরে সিলিন্ডার কেনার প্রসঙ্গ থাকলেও ক্যাপশনে তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে যাঁরা শুধু ক্যাপশন বা শিরোনাম দেখেন, তাঁরা ধরে নিচ্ছেন গ্যাসের দামই ৩৫০০ টাকা। ছড়িয়ে পড়া এই ভুল ধারণায় গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুচক্রি মহল সরকার বিরোধী নেরেটিভ ছড়াতে শুরু করেছে। এমনিতেই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে জনমনে ক্ষোভ রয়েছে, তন্মধ্যে এমন বিভ্রান্তিকর নিউজে হেডলাইন জনগণের ক্ষোভ আরোও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, সংকটের সময় দাম নিয়ে যেকোনো তথ্য মানুষের সিদ্ধান্ত ও আচরণে প্রভাব ফেলে। অর্ধেক তথ্যের ক্যাপশন সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে, আবার পুরো এলাকার ব্যবসায়ীদের নিয়েও ভুল ধারণা তৈরি করে। দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের কাছে প্রত্যাশা, দাম সংক্রান্ত তথ্য ক্যাপশনেই পরিষ্কার থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন