মাদক, কিশোর গ্যাং এবং সামাজিক অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে "জনসচেতনতা সভা"। পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার আয়োজনে আজ (০১ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বান্দরবানের হিলবার্ড মোড়ে অবস্থিত শহীদ আবু স্মৃতি পাঠাগারে।
সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং, চুরি-ছিনতাই, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু নির্যাতন, সাইবার অপরাধ এবং সহিংসতাসহ সমাজের নানা অপরাধ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, এসব সমস্যা এখন তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মিছবাহ উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সদর থানার সেকেন্ড অফিসার শ্রী রোহিত বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নাছির উদ্দীন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি জনাব অংচমং, যুব সংগঠক জোবায়ের হোসেন এবং ছাত্র সংগঠক মহিউদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রী রোহিত বিশ্বাস বলেন, মাদক ও কিশোর অপরাধ রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে একা কাজ করা সম্ভব নয়। এর জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি শিক্ষার্থীদের খারাপ সঙ্গ এড়িয়ে চলার এবং কোনো অপরাধের তথ্য জানলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, সচেতন তরুণ সমাজই পারে একটি নিরাপদ বান্দরবান গড়তে।
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ ইকবাল অতিথি ও উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মাদক ও অপরাধ তরুণদের স্বপ্ন কেড়ে নেয় এবং পরিবারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। এ কারণে শিক্ষার্থীদেরই এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সবার আগে সোচ্চার হতে হবে।
তিনি জানান, ছাত্র পরিষদ শুধু অধিকার আদায়ের আন্দোলনেই নয়, সামাজিক সচেতনতা তৈরির কাজেও সবসময় সক্রিয় থাকবে।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ বলেন, মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তাঁরা পরিবারের অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি নজর রাখা এবং তাদের সঙ্গে খোলামেলা সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
তাঁরা আরও বলেন, পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের তরুণদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য থাকলে কোনো অপরাধই সমাজে শেকড় গাড়তে পারবে না। এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁরা আয়োজকদের সাধুবাদ জানান।
সভা শেষে ছাত্র পরিষদ নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার করেন, সভায় আলোচিত মাদক, কিশোর গ্যাংসহ সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সংগঠনটি পাহাড়ে সবসময় সোচ্চার থাকবে।
পাশাপাশি পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনেও ছাত্র পরিষদ নিবেদিত ভূমিকা রাখবে বলে নেতৃবৃন্দ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
মাদক, কিশোর গ্যাং এবং সামাজিক অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়েছে "জনসচেতনতা সভা"। পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার আয়োজনে আজ (০১ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ ঘটিকায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয় বান্দরবানের হিলবার্ড মোড়ে অবস্থিত শহীদ আবু স্মৃতি পাঠাগারে।
সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং, চুরি-ছিনতাই, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু নির্যাতন, সাইবার অপরাধ এবং সহিংসতাসহ সমাজের নানা অপরাধ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। বক্তারা বলেন, এসব সমস্যা এখন তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মিছবাহ উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সদর থানার সেকেন্ড অফিসার শ্রী রোহিত বিশ্বাস।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য নাছির উদ্দীন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি জনাব অংচমং, যুব সংগঠক জোবায়ের হোসেন এবং ছাত্র সংগঠক মহিউদ্দিন প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রী রোহিত বিশ্বাস বলেন, মাদক ও কিশোর অপরাধ রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে একা কাজ করা সম্ভব নয়। এর জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
তিনি শিক্ষার্থীদের খারাপ সঙ্গ এড়িয়ে চলার এবং কোনো অপরাধের তথ্য জানলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, সচেতন তরুণ সমাজই পারে একটি নিরাপদ বান্দরবান গড়তে।
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ ইকবাল অতিথি ও উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মাদক ও অপরাধ তরুণদের স্বপ্ন কেড়ে নেয় এবং পরিবারকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। এ কারণে শিক্ষার্থীদেরই এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সবার আগে সোচ্চার হতে হবে।
তিনি জানান, ছাত্র পরিষদ শুধু অধিকার আদায়ের আন্দোলনেই নয়, সামাজিক সচেতনতা তৈরির কাজেও সবসময় সক্রিয় থাকবে।
বিশেষ অতিথিবৃন্দ বলেন, মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তাঁরা পরিবারের অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি নজর রাখা এবং তাদের সঙ্গে খোলামেলা সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।
তাঁরা আরও বলেন, পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের তরুণদের মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য থাকলে কোনো অপরাধই সমাজে শেকড় গাড়তে পারবে না। এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁরা আয়োজকদের সাধুবাদ জানান।
সভা শেষে ছাত্র পরিষদ নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার করেন, সভায় আলোচিত মাদক, কিশোর গ্যাংসহ সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সংগঠনটি পাহাড়ে সবসময় সোচ্চার থাকবে।
পাশাপাশি পাহাড়ের সব সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনেও ছাত্র পরিষদ নিবেদিত ভূমিকা রাখবে বলে নেতৃবৃন্দ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন