রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৫ নম্বর বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী বাজার সংলগ্ন ৩৩ কেবি বিদ্যুৎ লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে উত্তম ও অরুণ নামে দুই ব্যাক্তি আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ২ জুলাই বিকালে বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ শুরুর আগে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছে প্রধান (মেইন) বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করার আবেদন জানানো হয়। এরপর তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন। তবে কাজ শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ মেইন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়ে গেলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে জানতে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক রাজস্ব কর্মকর্তা সুগত চাকমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বে থাকা আখিনু চাকমা জানান, মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের মেইন লাইন দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়।
তিনি আরও জানান, উত্তম ও অরুণ কাজের জন্য মেইন লাইন বন্ধ ও প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমি মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র থেকে করেঙ্গাতলী বাজারের লাইন বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করলেও আনুষ্ঠানিক ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার আগেই তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন। এ সময় দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের লাইন পুনরায় সচল করে দেওয়া হয়। এর ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৫ নম্বর বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী বাজার সংলগ্ন ৩৩ কেবি বিদ্যুৎ লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে উত্তম ও অরুণ নামে দুই ব্যাক্তি আহত হয়েছেন। বর্তমানে তারা বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ২ জুলাই বিকালে বিদ্যুতের খুঁটিতে কাজ শুরুর আগে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছে প্রধান (মেইন) বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করার আবেদন জানানো হয়। এরপর তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন। তবে কাজ শেষ হওয়ার আগেই হঠাৎ মেইন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়ে গেলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে জানতে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের আবাসিক রাজস্ব কর্মকর্তা সুগত চাকমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বে থাকা আখিনু চাকমা জানান, মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের মেইন লাইন দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়।
তিনি আরও জানান, উত্তম ও অরুণ কাজের জন্য মেইন লাইন বন্ধ ও প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আমি মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্র থেকে করেঙ্গাতলী বাজারের লাইন বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করলেও আনুষ্ঠানিক ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার আগেই তারা খুঁটিতে উঠে কাজ শুরু করেন। এ সময় দিঘীনালা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে মারিশ্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের লাইন পুনরায় সচল করে দেওয়া হয়। এর ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন