মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
২৮ জুলাই, ২০২৬ ঢাকা
চ্যানেল সিএইচটি

সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ির সড়ক।



সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ির সড়ক।

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় মাষ্টারপাড়া, বটতলী, লাইল্যাঘোনা, বাঘাইহাট, মাচালংসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

এদিকে মারিশ্যা–দীঘিনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকায় সড়কের একাংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসে উপজেলা সদর ও রূপকারী ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে বাঘাইছড়ি পৌরসভার প্রকৌশলী দল কাজ শুরু করেছে।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

চ্যানেল সিএইচটি

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটক, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ির সড়ক।

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় মাষ্টারপাড়া, বটতলী, লাইল্যাঘোনা, বাঘাইহাট, মাচালংসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

এদিকে মারিশ্যা–দীঘিনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকায় সড়কের একাংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া পাহাড়ধসে উপজেলা সদর ও রূপকারী ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক থেকে মাটি সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে বাঘাইছড়ি পৌরসভার প্রকৌশলী দল কাজ শুরু করেছে।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


চ্যানেল সিএইচটি

সম্পাদক : এইচ এ আব্দুর রউফ, উপদেষ্টা : কামাল পারভেজ
কপিরাইট © ২০২৬ চ্যানেল সিএইচটি । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত