টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েন। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে দ্রুত মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন (১৪ ইস্ট বেঙ্গল)।
গত ৮ জুলাই থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আটকে পড়া পর্যটকদের বিভিন্ন রিসোর্টে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে আবহাওয়া ও সড়ক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
৯ জুলাই পরিস্থিতির আংশিক উন্নতি হলে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রথম ধাপে প্রায় দেড় শতাধিক পর্যটককে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। দুর্গম পথ, জলাবদ্ধতা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ উপেক্ষা করে সেনাসদস্যরা বাঁশের ভেলা, নৌকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপায় ব্যবহার করে পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন।
দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিকতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে। বিপদের মুহূর্তে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর যে অঙ্গীকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বারবার বাস্তবে প্রমাণ করেছে, সাজেকের এই মানবিক উদ্যোগ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকে প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েন। এমন দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা, আশ্রয় ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে দ্রুত মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোন (১৪ ইস্ট বেঙ্গল)।
গত ৮ জুলাই থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আটকে পড়া পর্যটকদের বিভিন্ন রিসোর্টে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে আবহাওয়া ও সড়ক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
৯ জুলাই পরিস্থিতির আংশিক উন্নতি হলে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রথম ধাপে প্রায় দেড় শতাধিক পর্যটককে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। দুর্গম পথ, জলাবদ্ধতা ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ উপেক্ষা করে সেনাসদস্যরা বাঁশের ভেলা, নৌকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপায় ব্যবহার করে পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন।
দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিকতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে। বিপদের মুহূর্তে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পাশে দাঁড়ানোর যে অঙ্গীকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বারবার বাস্তবে প্রমাণ করেছে, সাজেকের এই মানবিক উদ্যোগ তারই আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

আপনার মতামত লিখুন